You are currently viewing Sound (Physical science)

Sound (Physical science)

Sound (শব্দ)

হ্যালো বন্ধুরা আমরা তোমাদের জন্য Sound (শব্দ) নতুন PDF  নিয়ে এসেছি । আজ আমাদের এই PDF এ থাকছে শব্দের বিভিন্ন ব্যাখা, গাণিতিক সূত্রাবলি, এক কথায় প্রশ্ন, MCQ প্রশ্ন & উত্তর এর সমন্ধে এক কোথায় প্রশ্ন । আশা করছি এই প্রশ্নগুলি তোমাদের বিভিন্ন চাকরীর পরীক্ষার প্রস্তুতির ক্ষেত্রে সাহায্য করবে।

  • শব্দ : কোন কম্পনশীল বস্তু থেকে উৎপাদিত যে শক্তি তলঙ্গের আকারে কোন স্থিতিস্থাপক জড় মাধ্যমের মধ্য দিয়ে আমাদের কানে এসে পৌঁছায় এবং মস্তিষ্কে অনুভূতির সৃষ্টি করে , তাকে শব্দ বলে ।

 

  • শব্দের উৎস (স্বনক) : যে-কোনো কম্পনশীল বস্তুই হল শব্দের উৎস । শব্দের উৎস কেই স্বনক বলে । স্বনক কঠিন, তরল, গ্যাসীয় তিন হতে পারে । যেমন – সেতারের তার, তাবলার পর্দার কম্পনে শব্দ সৃষ্টি, বাঁশির নলের মধ্যস্থ বায়ুস্তম্ভের কম্পনে শব্দ সৃষ্টি ।

 

  • শব্দের প্রকারভেদ : কম্পনশীল বস্তুর কম্পনের মান এবং শ্রবল অনুভূতি জাগরণের ভিত্তিতে শব্দ তিন প্রকার হয় । যথা –

        

  1. i) শ্ৰতিগোচর শব্দ : সেকেন্ডে 20 থেকে 20,000 (HZ) বারের বেশী কম্পনশীল বস্তুর থেকে উৎপন্ন শব্দ আমরা শুনতে পাই । এইরূপ শব্দকে শুতিগোচর শব্দ বলে ।
  2. ii) শব্দোত্তর শব্দ (Ultrasonic) : সেকেন্ডে 20,000 (HZ) বারের কম কম্পনশীল বস্তুর থেকে উৎপন্ন শব্দ আমরা শুনতে পাই না। এইরূপ শব্দকে শব্দোত্তর শব্দ বলে । যেমন – ডলফিন, মথ, বাদুড়, ইত্যাদি ।
  3. iii) শব্দেতর শব্দ (Infrasonic) : সেকেন্ডে 20 (HZ) বারের কম কম্পনশীল বস্তুর থেকে উৎপন্ন শব্দ আমরা শুনতে পাই না । এইরূপ শব্দকে শব্দেতর শব্দ । যেমন – মানুষের হৃদপিণ্ডের শব্দ, দেওয়াল ঘড়ির পেন্ডুলামের শব্দ , ইত্যাদি ।

 

  • তরঙ্গ : মাধ্যমের কণাগুলির স্থানচ্যুত না করে কোন সমসত্ত্ব শিতিস্থাপত মাধ্যমের কণাগুলির সমষ্টিগত কম্পনের ফলে সৃষ্ট যে আন্দোলন মাধ্যমের একস্থান থেকে অন্য স্থানে শক্তি সঞ্চালিত করে, তাকে তরঙ্গ বলে ।

 

  • শব্দের বেগ নির্ণকারী প্রভাবক :
  1. i) চাপের প্রভাব : চিথর উষ্ণতায় গ্যাস বা বায়ুর মধ্যে শব্দের বেগ চাপের উপর নির্ভর করে না ।
  2. ii) ঘনত্বের প্রভাব : কোন গ্যাসীয় মাধ্যমে শব্দের বেগ গ্যাসটির ঘনত্বের বর্গমূলের ব্যাস্তানুপাতিক হয় ।
  3. iii) উষ্ণতার প্রভাব : কোন গ্যাসীয় মাধ্যমে শব্দের বেগ উষ্ণতার বৃদ্ধির সাথে সাথে বৃদ্ধি পায় ।
  1. iv) আর্দ্রতার প্রভাব : কোন গ্যাসীয় মাধ্যমে স্থির উষ্ণতায় শব্দের বেগ আর্দ্রতা বৃদ্ধির সাথে সাথে কমে যায় ।
  • শব্দের প্রতিফলন : শব্দ কোন মাধ্যমের মধ্য দিয়ে যেতে যেতে কোন বৃহৎ উঁচু কিছু সাথে ধাক্কা খেয়ে অভিমুখ পরিবর্তন করে পুনায় পূর্বের মাধ্যমে ফিরে আসে , এই ঘটনাকে শব্দের প্রতিফলন বলে ।

 

  • শব্দের প্রতিফলনের সূত্র :
  1. i) প্রথম সূত্র : আপতিত শব্দতরঙ্গা , প্রতিফলিত শব্দতরঙ্গণ এবং প্রতিফলক তলের ওপর আপতন বিন্দুতে অঙ্কিত অভিলম্ব এই সমতলে থাকে ।
  2. ii) দ্বিতীয় সূত্র : আপতন কোণের মান প্রতিফলন কোণের মানের সমান হয় ।
  • শব্দের প্রতিধ্বনি : কোন স্বনক থেকে উৎপন্ন শব্দ নির্দিষ্ট ( 16.6 মিটার বা তার বেশী ) দূরে রাখা কোনো বৃহৎপ্রতিফলকে প্রতিফলিত হয়ে মূল শব্দ থেকে পৃথক যে শব্দ শ্রোতার কানে এসে পৌঁছায় তাকে ঐ শব্দের প্রতিধ্বনি বলে।

 

  • সুরযুক্ত শব্দ : শব্দের উৎসের কম্পন নিয়মিত , পর্যাবৃত্ত এবং ধারাবাহিক হলে , উৎপন্ন শব্দ আমাদের কানে এবং মনে এক মধুর অনুভূতির সৃষ্টি করে, একেই সুরযুক্ত শব্দ বলে । যেমন – সেতার , গিটার , পিয়ানো , বাঁশি ইত্যাদি বাদ্যযন্ত্র থেকে নির্গত শব্দ । সুরযুক্ত শব্দের প্রধানত তিনটি বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয় । যথা –

  

  1. i) প্রাবল্য : শব্দ বিস্তারের অভিমুখে রাখা কোনো উল্লম্ব তলের প্রতি একক ক্ষেত্রফল বিশিষ্ট স্থানের মধ্য দিয়ে এক সেকেন্ডে যে পরিমাণ শব্দ শক্তি প্রবাহিত হয় , তাকে প্রাবল্য বলে ।

 

  1. ii) তীক্ষ্ণতা : সুরযুক্ত শব্দের যে বৈশিষ্ট্য দিয়ে একই প্রাবল্যের খাদের সুর এবং চড়া সুরের পার্থক্য বুঝা যায় তাকেতীক্ষ্ণতা বলে।

 

iii) গুণ বা জাতি : সুরমুক্ত শব্দের যে বৈশিষ্ট্যের জন্য একই প্রাবল্য এবং একই তীক্ষ্ণতা বিশিষ্ট বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র থেকে উৎপন্না সুরগুলির মধ্যে পার্থক্য বোঝা যায় তাকে গুণ বা জাতি বলে ।

 

  • সুরবর্জিত শব্দ : শব্দের উৎসের কম্পন অনিয়মিত, অপর্যাবৃত্ত এবং ক্ষণস্থায়ী হলে উৎপন্ন শব্দ আমাদের কানে এবং মনে এক বিরক্তিকর অনুভূতির সৃষ্টি করে, একে সুরবর্জিত শব্দ বলে । যেমন – কলকারখানার শব্দ , গাড়ি চলাচলের শব্দ , বাজির শব্দ , কোলাহলের শব্দ ইত্যাদি ।

 

  • শব্দের বৈশিষ্ট্য :
  1. i) সুর (Tone) : একটিমাত্র নির্দিষ্ট কম্পাঙ্কবিশিষ্ট অর্থাৎ একমাত্রিক শব্দকে সুর বলা হয় । উদাহরণ – সুরশলাকার কম্পনে উৎপন্ন শব্দ
  2. ii) স্বর (Note) : একাধিক ভিন্ন ভিন্ন সুরের সমন্বয়ে সৃষ্ট শব্দকে স্বর বলা হয় । উদাহরণ – যে কোনো বাদ্যযন্ত্র যেমন, হারমোনিয়াম , সেতার , বাঁশি ইত্যাদি থেকে নির্গত শব্দ ।

iii) মূলসুর (Fundamental tone) : কোনো স্বরে উপস্থিত সুরগুলির মধ্যে যার কম্পাঙ্ক নিম্নতম, তাকেই মূলসুর বা প্রধান সুর বলা হয় ।

  1. iv) উপসুর (Overtone) : কোনো স্বরের মধ্যে মূলসুর ছাড়া অন্যান্য যে সুরগুলি উপস্থিত থাকে, তাদের সকলকেই উপসুর বলা হয় ।
  2. v) সমসেল (Harmonics) : উপসুরগুলির মধ্যে যেগুলির কম্পাঙ্ক মূলসুরের সরল গুণিতক , তাদের সমসেল বলা হয়।
  3. vi) অষ্টক (Octave) : কোনো সুরের কম্পাঙ্ক অন্য একটি সুরের কম্পাঙ্কের দ্বিগুণ হলে, প্রথমটিকে দ্বিতীয়টির অষ্টক বলা হয়।

 

গাণিতিক সূত্রাবলি : – 

  • n কম্পাঙ্কবিশিষ্ট, λ তরঙ্গদৈর্ঘ্যের শব্দতরঙ্গের বেগ v হলে, V = n λ হয় ।
  • শব্দের দ্বারা অতিক্রান্ত দূরত্ব (s) = বেগ (v) × সময় (t) ।
  • n পদাংশযুক্ত বোধগম্য শব্দের প্রতিধ্বনি শোনার ন্যূনতম দূরত্ব (d) = n × 33.2 m ।
  • কম্পাক একটি ভৌতরাশি ।
  • কোনো শব্দের কম্পাঙ্ক 1000 হার্জের বেশী হলে তীব্রতা বৃদ্ধি পায় কিন্তু তীক্ষ্ণতা অপরিবর্তিত থাকে ।
  • কম্পাঙ্কের একক সাইকেলস প্রতি সেকেন্ড (C.P.S.) বা হার্জ ।
  • মশার গুঞ্জনের তীক্ষ্ণতা বাঘের গর্জনের তীক্ষ্ণতার চেয়ে বেশী ।
  • পুরুষের গলার স্বরের তীক্ষ্ণতা মেয়েদের স্বরের তীক্ষ্ণতার চেয়ে কম হয় ।
  • 0°C উষ্ণতায় বায়ু মাধ্যমে শব্দের বেগ প্রতি সেকেন্ডে 332 মিটার ।
  • প্রতি ডিগ্রী সেলসিয়াস উষ্ণতায় বৃদ্ধিতে শব্দের বেগ 0.61 মি/সে. বেড়ে যায় ।
  • শীতকালের চেয়ে গ্রীষ্ণকালে বায়ুর মধ্যে শব্দের বেগ বেশী হয় ।
  • দিনের বেলা শব্দের বেগ রাতের চেয়ে বেশী হয় ।
  • বৃষ্টি হলে বা বর্ষাকালে শব্দের বেগ বৃদ্ধি পায় ।
  • কোনো বস্তুর বেগ এবং শব্দের বেগ অনুপাতকে ঐ বস্তুর ম্যাক সংখ্যা বলে ।
  • শব্দের বেগের চেয়ে কোন বস্তুর বেগ বেশী হলে তাকে সুপারসনিক বেগ বলে ।
  • কোনো লম্বা ধাতব পাইপের একপ্রান্তে হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করলে অপর প্রান্তে দুবার শব্দ শোনা যায়। কারণ একটি উৎপন্ন শব্দ ধাতুর মধ্য দিয়ে এবং অপরটি বায়ু মাধ্যমে যায় ।
  • কঠিন মাধ্যমে শব্দের বেগ, গ্যাস মাধ্যমে শব্দের বেগের চেয়ে অনেক বেশী হয় ।
  • তরল মাধ্যমে শব্দের বেগ বায়ু মাধ্যমে শব্দের বেগের চেয়ে বেশী হয় ।
  • পাখির পাখার কম্পন এবং পেন্ডুলাম দোলার কম্পন সেকেন্ডে ২০ বারের কম হয়। তাই ইহাদের থেকে উৎপন্ন শব্দ শব্দেতর শব্দ । ইহা শ্রুতিগোচর হয় না ।
  • সুরশলাকা বা টিউনিং ফর্ক একটি হাতলযুক্ত ‘ U ’ আকৃতির ইস্পাত দন্ড ।
  • সূর্য এবং পৃথিবীর মাঝে কোন জড় মাধ্যম না থাকায় সূর্যে সর্বদা যে প্রচন্ড বিস্ফোরণ হয় , তার শব্দ পৃথিবীতে শোনা যায় না ।
  • বিজ্ঞানী ভন গেরিক সর্বপ্রথম পর্যবেক্ষণ করেন জলের মধ্যে ঘন্টা বাজালে মাছের ঝক শব্দের দিকে ছুটে আসে ।
  • দুটি মাধ্যমের ঘনত্বের খুব পার্থক্য থাকলে শব্দ এক মাধ্যম থেকে অন্য মাধ্যমে প্রবেশ করে না । তাই জলের মধ্যে হাততালি দিলে তা জলের উপরে বায়ু মাধ্যমে শোনা যায় না ।
  • CGS পদ্ধতিতে তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের একক হল সেন্টিমিটার এবং S.I. পদ্ধতিতে তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের একক হল মিটার ।
  • গানের সাতটি সুর : ‘ সা , রে , গা , মা , পা , ধা , নি ’ কে পৃথকভাবে চেনা যায় তীক্ষ্ণতার জন্য ।
  • 4° C উষ্ণতায় জলে শব্দের বেগ 1436 মি/সে. ।
  • কোনো শব্দ কানে পৌঁছানোর পর মস্তিষ্কে তার অনুভূতি সেকেন্ড রয়ে যায় । এই সেকেন্ড সময়কে শব্দ নির্বন্ধ বলে ।
  • কোনো হল ঘরে শব্দ উৎপন্ন করলে তা বার বার প্রতিফলিত হয়ে অনেকক্ষণ ঘরের মধ্যে রয়ে যায় । এই ঘটনাকে অনুরণন বলে ।
  • অনুরণনের কারণে মেঘ গর্জনের বহুক্ষণ পরেও গুম গুম শব্দ হতে থাকে ।
  • সাধারণ মাপের ঘরের দুটি দেওয়ালের মধ্যবর্তী দূরত্ব 33.2 মিটারের কম হওয়ায় শব্দের প্রতিধ্বনি শোনা যায় না ।
  • ‘সা , রে , গা , মা , পা , ধা , নি , র্সা’ এই সুরগুলির মধ্যে ‘ র্সা ’ হল ‘ সা ’ এর সমমেল ।
  • যে শব্দ যত শ্রুতিমধুর তার সমমেলের সংখ্যা তত বেশী হয় ।
  • শ্রুতিকটু শব্দের সাধারণত কোনো মূলসুর থাকে না ।
  • সেতার , একতারা , গীটার প্রভৃতি তারের বাদ্যযন্ত্রের ক্ষেত্রে কোনো ফাঁপা বাক্স বা পাত্র সংযুক্ত করে শব্দের প্রাবল্য বৃদ্ধি করা হয় , ফলে শব্দ জোরে শোনা যায় ।
  • মানুষের শ্রবণসীমার সর্বনিম্ন কম্পাঙ্ক 20/সেকেন্ড এবং সর্বোচ্চ কম্পাঙ্ক 20000/সেকেন্ড ।
  • শব্দের তীব্রতার একক হল ডেসিবল ।
  • সিনেমা হলে শব্দের অবাঞ্ছিত প্রতিফলন বন্ধ করার জন্য ভেতরের দেওয়ালের গায়ে নরম প্যাড লাগানো থাকে ।
  • মানুষ সেকেন্ডে সর্বোচ্চ পাঁচটি পদ্যাংশ উচ্চারণ করতে পারে ।
  • বাদুড় শব্দোত্তর শব্দ শুনে অন্ধকারে কোন বস্তুর গঠন এবং অবস্থান জানতে পারে ।
  • আলোর বেগ বায়ুমাধ্যমে শব্দের বেগের চেয়ে বেশী ।
  • SONAR (Sound Navigation and Ranging) এর সাহায্যে ভাসমান হিমশৈল এবং সমুদ্রে ডুবো পাহাড় সম্পর্কে জানা যায় ।
  • ম্যাক সংখ্যা 1 এর বেশী হলে বস্তুর বেগকে সুপারসনিক , 1 এর সমান হলে সনিক এবং 1 এর কম হলে সাবসনিক বেগ বলে ।
  • 1 বেল = 10 ডেসিবেল ।
  • WHO অনুযায়ী শব্দের নিরাপদ তীব্রতা হল 45dB ।
  • মানুষের কান 85dB থেকে 90dB পর্যন্ত তীব্রতার শব্দ সহ্য করতে পারে ।
  • 65dB এর বেশী তীব্রতা যুক্ত শব্দ মানুষের স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর ।
  • বোধগম্য শব্দের প্রতিধ্বনি শোনার জন্য প্রতিফলকের ন্যূনতম দূরত্ব এক মাত্রিকের মতো 33.2 মিটার। দ্বিমাত্রিকের ক্ষেত্রে 66.4 মিটার ।

1) শব্দ উৎপন্ন হয় –

A

স্থির বস্তু থেকে

B

গতিশীল বস্তু থেকে

C

কম্পনশীল বস্তু থেকে

D

কোনটিই নয়

2) শব্দের উৎসকে কী বলা হয় ?

A

স্বনক

B

সুরশলাকা

C

বাঁশি

D

হারমোনিয়াম

3) বেল ও ডেসিবেলের মধ্যে সম্পর্ক কী ?

A

1 বেল = 10 ডেসিবেল

B

1 বেল = 100 ডেসিবেল

C

1 বেল = 0.1 ডেসিবেল

D

1 বেল = 0.01 ডেসিবেল

4) ভূমিকম্প উৎপন্ন করে –

A

শ্রবণযোগ্য শব্দ

B

শব্দেতর শব্দ

C

শব্দোত্তর শব্দ

D

কোনোটিই নয়

5) মানুষ সেকেন্ডে কয়টির বেশি পদাংশ উচ্চারণ করতে পারে না –

A

5 টি

B

6 টি

C

7 টি

D

8 টি

6) চাপ বৃদ্ধির সঙ্গে বায়ুতে শব্দের বেগ কী হয় ?

A

হ্রাস পায়

B

বৃদ্ধি পায়

C

ধ্রুবক থাকে

D

কোনোটিই নয়

7) মানুষ কত ডেসিবেল পর্যন্ত শব্দ সহ্য করতে পারে ?

A

30 – 35 dB

B

60 – 65 dB

C

85 – 90 dB

D

75 – 80 dB

8) অষ্টক কি ?

A

একটি যে-কোনো সুরের কম্পাঙ্ক

b

একটি সুরের কম্পাঙ্কের দ্বিগুণ

c

একটি সুরের কম্পাঙ্কের যে-কোনো সরল গুণিতক

d

একটি সুরের কম্পাঙ্কের আটগুণ

9) যে ধর্মের সাহায্যে কোনো তির্যক তরঙ্গ এবং অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গের মধ্যে পার্থক্য করা যায় , সেটি হল —

A

অপবর্তন

B

ব্যাতিচার

C

প্রতিফলন

D

সমাবর্তন

10) কোনো জড় মাধ্যমের মধ্য দিয়ে শব্দের বেগ ওই মাধ্যমের কোন্ ধর্মটির উপর নির্ভরশীল নয় ?

A

তাপমাত্রা

B

স্থিতিস্থাপকতা

C

চাপ

D

ঘনত্ব

11) যে গতি নির্দিষ্ট সময় পরপর পুনরাবৃত্ত হয় তাকে কী বলে ?

A

পর্যাবৃত্ত গতি

B

পর্যায়কাল

C

সরল দোলগতি

D

তরঙ্গদৈর্ঘ্য

12) স্প্রিং – এর কম্পন কি প্রকৃতির ?

A

তির্যক

B

অনুদৈর্ঘ্য

C

উভয়ই

D

কোনোটিই নয়

13) সুরযুক্ত শব্দের গুণ কিসের উপর নির্ধারিত হয় ?

A

উপসুরের সংখ্যা

B

অপসুরের সংখ্যা

C

স্বরের সংখ্যা

D

মূলসুরের সংখ্যা

 

14) বায়ুতে শব্দের বেগ 340 মি/সে হলে 340 Hz কম্পাঙ্কের কোনো সুরশলাকা থেকে নির্গত শব্দের তরঙ্গদৈর্ঘ্য হবে —

A

1 মিটার

B

2 মিটার

C

5 মিটার

D

8 মিটার

15) একটি সুরশলাকার কম্পাঙ্ক 400 Hz এবং বায়ুতে শব্দের বেগ 320 m/s হলে, যে সময়ে সুরশলাকা 30 টি কম্পন শেষ করে সেই সময়ে শব্দ কত পথ অতিক্রম করবে ?

A

36 m

B

18 m

C

24 m

D

6 m

16) কোনো সুরশলাকার কম্পাঙ্ক 512 Hz। ওই সুরশলাকার 30 বার কম্পনে যে সময় লাগে, সেই সময়ে শব্দ বায়ুতে 20 m যায়। বায়ুতে শব্দের তরঙ্গদৈর্ঘ্য ও বেগ নির্ণয় করো ?

A

340.77 m/s

B

330.33 m/s

C

300.44 m/s

D

341.33 m/s

17) 200 Hz কম্পাঙ্কবিশিষ্ট একটি শব্দ উৎস থেকে উৎপন্ন শব্দ 1 কিমি পথ অতিক্রম করতে কয়টি ঘনীভবনের সৃষ্টি হয় ?          (বায়ুতে শব্দের বেগ 330 ms-1)

A

600 টি

B

606 টি

C

612 টি

D

618 টি

18) Chemistry শব্দের প্রতিধ্বনি শুনতে হলে শ্রোতা ও প্রতিফলকের ন্যূনতম দূরত্ব কত হবে ?

A

99.6 m

B

100.2 m

C

104.7 m

D

110.5 m

 

19) একটি জাহাজের শব্দসন্ধানী যন্ত্র ওর চারপাশে 3 km ব্যাসার্ধের মধ্যে সাবমেরিনের অস্তিত্ব নিরূপনের জন্য ঝলক সংকেত পাঠায়। প্রতি মিনিটে এরূপ কতগুলি করে ঝলক পাঠানো প্রয়োজন ?         (দেওয়া আছে, জলে শব্দের বেগ = 1500 m/s)

A

10

B

15

C

20

D

25

20) 45 মিটার গভীর একটি কূপের মধ্যে একটি ঢিল ছেড়ে দেওয়া হল। কত সময় পরে ঢিলটি জলে পড়ার শব্দ শোনা যাবে ?           (বায়ুতে শব্দের বেগ 340 m/s)

A

4.56 s

B

3.16 s

C

5.26 s

D

7.76 s

21) কোনো পাহাড় থেকে 10 মিটার দূরে দাঁড়িয়ে এক ব্যক্তি শব্দ করলেন। তিনি ওই প্রতিধ্বনি –

A

1.5 সেকেন্ড পরে শুনবেন

B

2 সেকেন্ড পরে শুনবেন

C

2.5 সেকেন্ড পরে শুনবেন

D

প্রতিধ্বনি শুনতে পাবেন না

22) সমুদ্রতীরে একটি পর্বতশ্রেণির সামনে একটি বন্দুক থেকে গুলি ছোড়া হল। বন্দুক থেকে 100 m দূরে ও পর্বতশ্রেণি থেকে সমদূরত্বে অবস্থিত এক ব্যক্তি লক্ষ করলেন যে, বন্দুকের গুলির শব্দ সরাসরি তার কাছে যেতে যে সময় লাগে, প্রতিধ্বনি যেতে তার দ্বিগুণ সময় লাগে। পর্বতশ্রেণি থেকে বন্দুকের দূরত্ব নির্ণয় করো —

A

100 m

B

200 m

C

75 m

D

150 m

23) ভূপৃষ্ঠে দাঁড়ানো এক ব্যক্তির সাপেক্ষে একখন্ড মেঘের উন্নতি কোণ 30°। বিদ্যুৎ চমকানোর 4s পর বাজ পরার শব্দ শোনা গেল। যদি শব্দের বেগ 330 মি/সে হয় তবে ভূপৃষ্ঠ থেকে মেঘের উচ্চতা নির্ণয় করো —

A

620 মিটার

B

200 m

C

660 মিটার

D

680 মিটার

24) 36 কিমি/ঘণ্টা বেগে একটি বিমান থেকে বন্দুক ছোড়ার 5 সেকেন্ড পরে তার প্রতিধ্বনি শোনা গেল। শব্দের বেগ 330 মিটার/সেকেন্ড হলে ভূপৃষ্ঠ থেকে বিমানের উচ্চতা নির্ণয় করো ?

A

916 মিটার

B

1000.34 মিটার

C

824.62 মিটার

D

কোনোটিই নয়

 

এই PDF টি Download করতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন ।

Leave a Reply