You are currently viewing অ্যাসিড ও ক্ষার

অ্যাসিড ও ক্ষার

অ্যাসিড

আরহেনিয়াসের তত্ত্বানুযায়ী , যে বস্তু জলীয় দ্রবনে বিয়ােজিত হয়ে H+ আয়ন দেয় তাকে অ্যাসিড বলা হয়।  
যদি এই বিয়ােজন সম্পূর্ণ রূপে ঘটে তবে সেটি একটি তীব্র অ্যাসিড এবং যদি বিয়ােজন আংশিক দিকে হয় তবে সেটি মৃদু অ্যাসিড ।

ক্ষার

একটি ক্ষার জলীয় দ্রবনে OH-আয়ন উৎপন্ন করে এবং বিয়ােজন মাত্রায় উপর নির্ভর করে যেটি তীব্র ক্ষার বা মৃদু ক্ষার।

যে বস্তুগুলি অ্যাসিড বা ক্ষার জৈর রূপেই বিক্রিয়া ঘটাতে পারে তাদের অ্যাম্বিপ্রোটিক বলা হয় । এই শব্দটি অ্যাক্ষোটেরিক – এর সাথে সমান , যা বােঝায় যে বস্তুটি অ্যাসিড বা ক্ষার উভয়রূপে বিক্রিয়া ঘটাতে পাড়ে । • একটি সাধারণ অ্যাসিড – ক্ষার বিক্রিয়া , বা প্রশ্রমণ বিক্রিয়া , অ্যাসিড থেকে আগত  H+আয়ন ও ক্ষার থেকে আগত OH- আয়ন মিলে H2O ( জল ) গঠন করে । এই বিক্রিয়ায় উৎপন্ন অন্য পদার্থটি হল , একটি আয়নীয় যৌগ , লবণ । কিছু কিছু বিক্রিয়ায় যেখানে গ্যাস নির্গত হয় , অ্যাসিড – ক্ষার বিক্রিয়ারূপে গণ্য করা হয় ।

 ব্রনস্টেড – লাউরি সংজ্ঞা ( 1923 )

কোনাে একটি পদার্থকে অ্যাসিড বা ক্ষার রূপে বিচার করতে বিক্রিয়ায় শুরু ও শেষে তাদের হাইড্রোজেন পরমাণু গণনা করা উচিত । যদি হাইড্রোজেনর সংখ্যা হ্রাস পায় , তবে সেটি অ্যাসিড ( যা হাইড্রোজেন আয়ন দান করে ) এবং যদি সেই সংখ্যা বৃদ্ধি পায় তবে সেটি ক্ষার ( যা হাইড্রোজেন আয়ন গ্রহণ করে ) । এই সংজ্ঞাগুলি সাধারণতঃ বিক্রিয়ার বামদিকে অবস্থিত পদার্থগুলির জন্য প্রযােজ্য । এই সংজ্ঞার মূল বক্তব্য হল সেই সব বস্তুর সংখ্যা বৃদ্ধি যারা ক্ষার রূপে অবস্থান করে ।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ অ্যাসিড ও ক্ষারের  ব্যবহার ও উৎস এর PDF দেওয়া হলো ডাউনলোড করে নাও 

Leave a Reply